Find us on facebook Find us on twitter Find us on you tube RSS feed
প্রচ্ছদ এয়ারলাইনস এয়ারপোর্ট ট্যুরিজম হোটেল এন্ড রিসোর্টস ফুড এন্ড বেভারেজ ট্রাভেল ভিন্নরকম আইটি অফার

অ্যারাভেলি পর্বতে ঘেরা ভ্রাতৃত্ব

পাশের বাড়ির গনেশকে মামা বলে ডাকেন মো: মোবারক। গনেশ ছাড়াও অসিত, বরুণ, গৌরাঙ্গসহ হিন্দু ধর্মালম্বী বহু বন্ধু রয়েছে তার। হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক অত্যন্ত উঞ্চ অ্যারাভেলি পর্বতে ঘেরা রাজস্থানের আজমীরে। অন্তত মোবারকের সঙ্গে কথায় তেমনটি বোঝা যায়। 

মোদির গুজরাট উন্নয়নের আইকন ‘গিফটসিটি’

(গিফট) থেকেই গিফটের নামটি আসে। ভবন এর আশপাশের এলাকা ৮৮৬ একর জায়গা নিয়ে বিস্তৃত। মূলত উন্নতমানের বৈদ্যুতিক, পানি, গ্যাস, ডিস্ট্রিক্ট কুলিং, সড়ক, টেলিযোগাযোগ এবং ব্রডব্যান্ড সুবিধা দিতেই এই শহরের জন্ম। শহরটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন, ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন জোন, ইন্টারটেইনমেন্ট জোন, হোটেলস জোন, কনভেনশন সেন্টার রয়েছে এই সিটিতে।

দর্পণের প্ল্যাটফর্মে ২০ নারী

বাংলাদেশের দেশীয় পণ্যের প্রথম ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস দর্পণ- ফেসবুকের অন্যতম নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে তৈরি গ্রুপ ফিমেইল অনট্রোপ্রোউনার সোসাইটির (ফিম্নেনসো) সহযোগিতায় সম্প্রতি ধানমন্ডির আরাজ কনভেনশন হলে আয়োজন করে এক ব্যবসায়িক চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান। এতে বিভিন্ন খাতের ২০ জন সৃজনশীল নারী উদ্যোক্তা দর্পণের প্লাটফর্মে যোগদান করেন।  

মোদীর হাতে `সবরমতি`র নতুন প্রাণ

সবরমতি নদীর তীরেই গুজরাটের সবচেয়ে বড় শহর আহমেদাবাদের অবস্থান। মূলত এই নদী শহরটিকে দু’ভাগে ভাগ করেছে। নদীর দুই তীরে ছিল ৫ লাখ বস্তিবাসী। দু’পাশের প্রায় ৪০০ একর জমি বেদখল হয়েছিল গিয়েছিল। সন্ধ্যা নামতেই এখানে বসতো মাদকসেবীদের আড্ডা। নাগরিকেরা ইচ্ছেমতো নদীর পানিকে দূষিত করতো। কাপড় ধোয়া থেকে শুরু করে সবকিছুই চলতো এই নদীর পানিতে। যে কারণে এর পানি ছিল দূষিত ও নোংরা।    

সিঙ্গুরের টাটা গুজরাটে আছে সানন্দে

পশ্চিবঙ্গের সিঙ্গুরে এক খন্ড জমি পেতে কি ত্রাহি অবস্থাই না হয়েছিল টাটা মটরসের। এক লাখ রুপির মূল্যের টাটা ন্যানো গাড়ি তৈরির জন্যই এই জায়গা চেয়েছিল টাটা। এজন্য তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যয় ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। সেই আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত টাটাই নিজ থেকে সরে যায়। 

গুজরাটের গ্রামে গ্রামেও উন্নয়ন, ইন্টারনেট

বোপাল (গুজরাট), ভারত থেকে: ‘৬/৭ বছর আগে জঙ্গলে ঢাকা ছিল বোপাল। এখানে কোনো মানুষ থাকতো না। জঙ্গলে ঘেরা এই এলাকায় শিয়াল-কুকুর আর বানরের রাজত্ব ছিল। এখন এখানে একটি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হয়েছে, পাকা সড়ক তৈরি করে মানুষের জন্য বসবাসের জায়গা করা হয়েছে। এদেরকে নাগরিক সুবিধাও দেওয়া হচ্ছে।’   

সেন্টমার্টিনে ৫০০ স্বেচ্ছাসেবকের ১২০০ কেজি আবর্জনা পরিষ্কার

কোকা-কোলা বাংলাদেশ ও কেওক্রাডং বাংলাদেশ সম্প্রতি সেন্টমার্টিন দ্বীপের সমুদ্র সৈকতে ৮ম বারের মতো সফলভাবে উপকূলীয় পরিচ্ছন্নতা ও সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ কর্মসূচি পালন করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে কোকা-কোলার ‘বর্জ্য মুক্ত বিশ্ব’ প্রতিষ্ঠার বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই আয়োজন করা হয়েছে। এর কাঙ্খিত উদ্দেশ্য হচ্ছে, এই সময়ের মধ্যে বৈশ্বিকভাবে কোম্পানির বাজারজাতের সমপরিমান বোতল অথবা ক্যান সংগ্রহ করা এবং পুনঃব্যবহারযোগ্য করা। ৩২তম আর্ন্তজাতিক উপকূল পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে দুই দিনব্যাপী এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।

 

ভিন্নরকম-এর সর্বশেষ

প্রচ্ছদ এয়ারলাইনস এয়ারপোর্ট ট্যুরিজম হোটেল এন্ড রিসোর্টস ফুড এন্ড বেভারেজ ট্রাভেল ভিন্নরকম আইটি অফার
যোগাযোগ: [email protected]
কপিরাইট © 2018 ফ্লাইটনিউজ২৪.কম কর্তৃক সর্ব স্বত্ব ® সংরক্ষিত। Developed by eMythMakers.com & Incitaa e-Zone Ltd.