Find us on facebook Find us on twitter Find us on you tube RSS feed
প্রচ্ছদ এয়ারলাইনস এয়ারপোর্ট ট্যুরিজম হোটেল এন্ড রিসোর্টস ফুড এন্ড বেভারেজ ট্রাভেল ভিন্নরকম আইটি অফার
27 Sep 2013   12:40:49 AM   Friday BdST A- A A+ Print this E-mail this

রূপসী বাংলার এমডি পদে ৯ বছর, যোগ্য বটে লুৎফুর

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
ফ্লাইটনিউজ২৪.কম
 রূপসী বাংলার এমডি পদে ৯ বছর, যোগ্য বটে লুৎফুর

ঢাকা: ক্ষমতার পালাবদল হলে বাংলাদেশের সবকিছু বদলে যায়। পদ, পদবি, পজিশনের কোনো কিছুই আর ঠিক থাকে না। ক্ষমতার পালা বদলের এই সংস্কৃতিই বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। তবে এই চিরায়ত সংস্কৃতিতে ব্যতিক্রম একজন মো. লুৎফুর রহমান। রূপসী বাংলা হোটেলের মালিকানা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেডের (বিএসএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি।

সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একটি সংস্থা বিএসএল। বিগত বিএনপি সরকারের আমলে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের দুই বছর কেটেছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের সুর বাজছে। কিন্তু বিএসএল’র এমডির পদ থেকে সরছেন না তিনি।

তিনটি সরকার গেল, কিন্তু এই পদের কেন পরিবর্তন নেই। কি তার ক্ষমতার উৎস, কোন দল করেন তিনি- এসব বিষয় মাথায় নিয়ে অনুসন্ধানে নেমে পাওয়া গেল চমকপ্রদ সব তথ্য।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, লুৎফুর রহমান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ভায়রা। সঙ্গত কারণে তিনি বিএনপি সরকারের পক্ষপাত পেয়েছেন। আর এ কারণেই ওই সরকারের আমলে তার নিয়োগ পাওয়া ছিল সহজ একটি কাজ।

তবে এখানেই শেষ নয়। বিএনপি নেতার আত্মীয়তার সুযোগ ব্যবহার করে তিনি এর আগে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যানের পদেও নিয়োগ পেয়েছিলেন বিমানবাহিনীতে থাকা অবস্থায়। ২০০১ সালের ৩১ ডিসেম্বর তিনি বেবিচকের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পান এবং ২০০২ সালের ৪ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি এই পদে ছিলেন। এরপর রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবেও নিয়োগ পান তিনি। ২০০৪ সালের শেষের দিকে তিনি নিয়োগ পান বিএসএল’র এমডি হিসেবে।

বিএনপি সরকারের বিদারে পর এক-এগারোর পটপরিবর্তনে দেশে ক্ষমতার পালা বদলের ব্যাপক পরিবর্তন আসে। তবে এই আমলেও লুৎফুর রহমান যথারীতি বিএসএল’র এমডি হিসেবে বহাল থাকেন। এরপর তার আত্মীয় যে দলটি করেন সেই দলের বিরোধী দলটি ক্ষমতায় আসে ২০০৯ সালে। তবে এবারেও ব্যতিক্রম। তিনি বহাল থাকেন প্রতিষ্ঠানের এমডি পদে। শুধু বহাল বললেই ভুল বলা হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের পুরোটা সময় তিনি দাপটের সঙ্গে নিজের ইচ্ছামতো সবকিছু পরিচালনা করেছেন। বলা হয়, তিনি নাকি সবকিছু ভালো ম্যানেজ করতে পারেন।

দীর্ঘ ২৭ বছর অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে হোটেলটি পরিচালনা করেছে বিশ্বখ্যাত হোটেল চেইন স্টারউডের শেরাটন। বাংলাদেশে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে হোটেলটি পরিচালনা করে শেরাটন। কিন্তু এরপরেও তারা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকতে পারেনি। একের পর এক বিভিন্ন শর্ত ও হয়রানি করে শেরাটনকে বিদায় করে ছেড়েছেন তিনি। যদিও তাদের বাংলাদেশে থাকার ইচ্ছা ছিল। ওই সময় শেরাটন কর্তৃপক্ষ বলেছিল হোটেলটি পুরোপুরি বন্ধ রেখে বড় ধরনের সংস্কার করতে হবে।

কিন্তু শেরাটনের কথা তখন রাজি হননি লুৎফুর রহমান। শেষ পর্যন্ত ইন্টারকন্টিনেন্টালের সঙ্গে হোটেল বন্ধ রেখেই সংস্কার কাজ করার চুক্তি হলো। মাঝখান থেকে শেরাটনকে এখান থেকে বিদায় নিতে হলো। শেরাটন যখন বলেছিল তখন তাদের প্রস্তাবে রাজি হলে এতদিনে হোটেলটির সংস্কার কাজ শেষ হয়ে নতুন রুপে চালু হতো হোটেলটি। তা না হয়ে বিষয়টি নিয়ে সময়ক্ষেপন করায় মাঝখানে কয়েক বছর সময় নষ্ট হয়। আর বিদায় করা হয় শেরাটনকে।    

এ অবস্থায় আগামী বছর বাংলাদেশে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আসর বসছে। এ কারণে এ বছর থেকে শুরু হতে যাওয়া সংস্কার কাজ শুরুই হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে লুৎফুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ সময়: ১১৫৮ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৬, ২০১৩

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

হোটেল এন্ড রিসোর্টস-এর সর্বশেষ

প্রচ্ছদ এয়ারলাইনস এয়ারপোর্ট ট্যুরিজম হোটেল এন্ড রিসোর্টস ফুড এন্ড বেভারেজ ট্রাভেল ভিন্নরকম আইটি অফার
যোগাযোগ: [email protected]
কপিরাইট © 2018 ফ্লাইটনিউজ২৪.কম কর্তৃক সর্ব স্বত্ব ® সংরক্ষিত। Developed by eMythMakers.com & Incitaa e-Zone Ltd.