ঢাকা, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:২৬:৪২ || ৩০ কার্তিক ১৪২৬
Advertisement
১০২৩

মার্কেটিংয়ের অভাবেই পর্যটন এগুচ্ছে না

এভিয়েশন করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২৩ মে ২০১৪  


ঢাকা: যথাযথ মার্কেটিংয়ের অভাবে এগিয়ে যেতে পারছে না দেশের সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্প। অভ্যন্তরীণ পর্যটক ধীরে ধীরে বাড়লেও বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে বরাবরই ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ। আর এজন্য মার্কেটিংয়ের ব্যর্থতাকেই দায়ী করছেন এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশে রয়েছে আকর্ষণীয় সব পর্যটন স্পট। নদী, পাহাড়, সমতল, সমুদ্র সৈকত যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে সুন্দরবনের মতো ম্যানগ্রোভ বন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে রয়েছে ময়নামতি, মহাস্থানগড়, ষাটগম্বুজ মসজিদের মতো ঐতিহাসিক নানা স্থাপনা। এদেশে আসা বিদেশি পর্যটকদের মতে, পর্যটন স্পটে বৈচিত্র্য রয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে একুশে ফেব্রুয়ারি, পহেলা বৈশাখের মতো সাংস্কৃতিক পর্যটনও। শুধু বহির্বিশ্বে পরিচিতি না পাওয়ার কারণেই দেশে বিদেশি পর্যটক আসছে না।

তবে সরকারের পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এজন্য তহবিল একটি বড় সমস্যা। পর্যাপ্ত তহবিল না থাকায় ট্যুরিজম মার্কেটিং করতে পারছে না বাংলাদেশ। এ খাতের সঙ্গে যুক্ত বেসরকারি উদ্যোক্তা ও বিশেষজ্ঞদের মতে, তহবিল বড় সমস্যা নয়। বরং মার্কেটিংয়ের কাজটি যথাযথভাবে করতে না পারাই বড় ব্যর্থতা।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) এর পরিচালক ও বেঙ্গল ট্যুরস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, কোনো কিছু মার্কেটিং করার আগে আমরা কি মার্কেটিং করতে চাই, আমাদের টার্গেট পিপল কারা- এসব আগে ঠিক করতে হবে। অথচ স্বাধীনতার ৪৩ বছরেও আমরা এখন পর্যন্ত ট্যুরিজম প্রডাক্ট ঠিক করতে পারিনি।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, কক্সবাজার বিশ্বের বৃহৎ সমুদ্র সৈকত। কিন্তু আপনি ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী ইতালি, স্পেনে গিয়ে যদি কক্সবাজারের প্রচারণা চালান তাহলে তা সঠিক হবে না। কারণ ওইসব দেশের মানুষ বিশ্বের অন্যতম সুন্দর ভূমধ্যসাগরের সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করে থাকেন।

দেশের ট্যুরিজম খাতের অন্যতম পথিকৃত পর্যটন ভিত্তিক পাক্ষিক বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলমের মতে, ট্যুরিজম মার্কেটিংয়ের জন্য অর্থ বড় বাধা নয়। বরং মার্কেটিং স্ট্রাটেজি তৈরি করতে না পারাই বড় দুর্বলতা।

মার্কেটিংয়ের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী ট্যুরিজম ফেয়ারেও অংশ নিতে পারছে না বাংলাদেশ। এক্ষেত্রেও তহবিল সংকট প্রধান প্রতিবন্ধকতা বলে মনে করেন জাতীয় পর্যটন সংস্থা বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। তবে এ বিষয়টি আমলে নেওয়ার মতো নয় বলে মত দেন কাজী ওয়াহিদুল আলম।

তিনি বলেন, মেলায় অংশ নেওয়া পুরো মার্কেটিংয়ের একটি পার্ট হতে পারে। কিন্তু এ ধরনের মেলায় অংশ নিতে গেলেও ওই মার্কেটিংই প্রয়োজন। কারণ আপনি মেলায় অংশ নেওয়ার আগে ওই পণ্য মার্কেটিং করার প্রয়োজন রয়েছে। কোনো ধরনের মার্কেটিং না করে এ ধরনের মেলায় অংশ নেওয়া অনর্থক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অধ্যাপক মুজিব উদ্দিন আহমেদও পর্যটনের বিকাশে যথাযথ মার্কেটিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নি:সন্দেহে মার্কেটিং প্রয়োজন। এর সঙ্গে পর্যটনের গুরুত্ব সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে। কারণ এ খাতের সঙ্গে উদ্যোক্তা, সরকারের পর্যটন মন্ত্রণালয়, ট্যুরিজম বোর্ড এবং পর্যটন করপোরেশনকে এ খাতের সম্ভাবনা বুঝতে হবে। আর এটি শুধু মুখে বুঝলে হবে না উপলদ্ধি করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

তহবিল সংকট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে অন্তরায় বলে মনে করেন না তিনি।

অধ্যাপক মুজিব উদ্দিনের মতে, বাংলাদেশের বর্তমান যে অর্থনীতি তাতে অর্থ বড় সমস্যা নয়। কোনো সরকারই এমনি এমনি কাউকে টাকা দেবে না। এজন্য এর গুরুত্ব সরকারকে যথাযথভাবে বোঝাতে হবে। ট্যুরিজম বোর্ড ও পর্যটন করপোরেশনকে তহবিলের জন্য সরকারকে মোটিভেট করার সক্ষমতা থাকতে হবে।

বাংলাদেশ সময়: ০৬২০ ঘণ্টা, মে ২৩, ২০১৪

ঢাকা: যথাযথ মার্কেটিংয়ের অভাবে এগিয়ে যেতে পারছে না দেশের সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্প। অভ্যন্তরীণ পর্যটক ধীরে ধীরে বাড়লেও বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে বরাবরই ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ। আর এজন্য মার্কেটিংয়ের ব্যর্থতাকেই দায়ী করছেন এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশে রয়েছে আকর্ষণীয় সব পর্যটন স্পট। নদী, পাহাড়, সমতল, সমুদ্র সৈকত যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে সুন্দরবনের মতো ম্যানগ্রোভ বন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে রয়েছে ময়নামতি, মহাস্থানগড়, ষাটগম্বুজ মসজিদের মতো ঐতিহাসিক নানা স্থাপনা। এদেশে আসা বিদেশি পর্যটকদের মতে, পর্যটন স্পটে বৈচিত্র্য রয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে একুশে ফেব্রুয়ারি, পহেলা বৈশাখের মতো সাংস্কৃতিক পর্যটনও। শুধু বহির্বিশ্বে পরিচিতি না পাওয়ার কারণেই দেশে বিদেশি পর্যটক আসছে না।

তবে সরকারের পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এজন্য তহবিল একটি বড় সমস্যা। পর্যাপ্ত তহবিল না থাকায় ট্যুরিজম মার্কেটিং করতে পারছে না বাংলাদেশ। এ খাতের সঙ্গে যুক্ত বেসরকারি উদ্যোক্তা ও বিশেষজ্ঞদের মতে, তহবিল বড় সমস্যা নয়। বরং মার্কেটিংয়ের কাজটি যথাযথভাবে করতে না পারাই বড় ব্যর্থতা।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) এর পরিচালক ও বেঙ্গল ট্যুরস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, কোনো কিছু মার্কেটিং করার আগে আমরা কি মার্কেটিং করতে চাই, আমাদের টার্গেট পিপল কারা- এসব আগে ঠিক করতে হবে। অথচ স্বাধীনতার ৪৩ বছরেও আমরা এখন পর্যন্ত ট্যুরিজম প্রডাক্ট ঠিক করতে পারিনি।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, কক্সবাজার বিশ্বের বৃহৎ সমুদ্র সৈকত। কিন্তু আপনি ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী ইতালি, স্পেনে গিয়ে যদি কক্সবাজারের প্রচারণা চালান তাহলে তা সঠিক হবে না। কারণ ওইসব দেশের মানুষ বিশ্বের অন্যতম সুন্দর ভূমধ্যসাগরের সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করে থাকেন।

দেশের ট্যুরিজম খাতের অন্যতম পথিকৃত পর্যটন ভিত্তিক পাক্ষিক বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলমের মতে, ট্যুরিজম মার্কেটিংয়ের জন্য অর্থ বড় বাধা নয়। বরং মার্কেটিং স্ট্রাটেজি তৈরি করতে না পারাই বড় দুর্বলতা।

মার্কেটিংয়ের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী ট্যুরিজম ফেয়ারেও অংশ নিতে পারছে না বাংলাদেশ। এক্ষেত্রেও তহবিল সংকট প্রধান প্রতিবন্ধকতা বলে মনে করেন জাতীয় পর্যটন সংস্থা বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। তবে এ বিষয়টি আমলে নেওয়ার মতো নয় বলে মত দেন কাজী ওয়াহিদুল আলম।

তিনি বলেন, মেলায় অংশ নেওয়া পুরো মার্কেটিংয়ের একটি পার্ট হতে পারে। কিন্তু এ ধরনের মেলায় অংশ নিতে গেলেও ওই মার্কেটিংই প্রয়োজন। কারণ আপনি মেলায় অংশ নেওয়ার আগে ওই পণ্য মার্কেটিং করার প্রয়োজন রয়েছে। কোনো ধরনের মার্কেটিং না করে এ ধরনের মেলায় অংশ নেওয়া অনর্থক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অধ্যাপক মুজিব উদ্দিন আহমেদও পর্যটনের বিকাশে যথাযথ মার্কেটিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নি:সন্দেহে মার্কেটিং প্রয়োজন। এর সঙ্গে পর্যটনের গুরুত্ব সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে। কারণ এ খাতের সঙ্গে উদ্যোক্তা, সরকারের পর্যটন মন্ত্রণালয়, ট্যুরিজম বোর্ড এবং পর্যটন করপোরেশনকে এ খাতের সম্ভাবনা বুঝতে হবে। আর এটি শুধু মুখে বুঝলে হবে না উপলদ্ধি করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

তহবিল সংকট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে অন্তরায় বলে মনে করেন না তিনি।

অধ্যাপক মুজিব উদ্দিনের মতে, বাংলাদেশের বর্তমান যে অর্থনীতি তাতে অর্থ বড় সমস্যা নয়। কোনো সরকারই এমনি এমনি কাউকে টাকা দেবে না। এজন্য এর গুরুত্ব সরকারকে যথাযথভাবে বোঝাতে হবে। ট্যুরিজম বোর্ড ও পর্যটন করপোরেশনকে তহবিলের জন্য সরকারকে মোটিভেট করার সক্ষমতা থাকতে হবে।

বাংলাদেশ সময়: ০৬২০ ঘণ্টা, মে ২৩, ২০১৪ - See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/292559.html#sthash.MP67ATnS.dpuf
ঢাকা: যথাযথ মার্কেটিংয়ের অভাবে এগিয়ে যেতে পারছে না দেশের সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্প। অভ্যন্তরীণ পর্যটক ধীরে ধীরে বাড়লেও বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে বরাবরই ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ। আর এজন্য মার্কেটিংয়ের ব্যর্থতাকেই দায়ী করছেন এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশে রয়েছে আকর্ষণীয় সব পর্যটন স্পট। নদী, পাহাড়, সমতল, সমুদ্র সৈকত যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে সুন্দরবনের মতো ম্যানগ্রোভ বন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে রয়েছে ময়নামতি, মহাস্থানগড়, ষাটগম্বুজ মসজিদের মতো ঐতিহাসিক নানা স্থাপনা। এদেশে আসা বিদেশি পর্যটকদের মতে, পর্যটন স্পটে বৈচিত্র্য রয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে একুশে ফেব্রুয়ারি, পহেলা বৈশাখের মতো সাংস্কৃতিক পর্যটনও। শুধু বহির্বিশ্বে পরিচিতি না পাওয়ার কারণেই দেশে বিদেশি পর্যটক আসছে না।

তবে সরকারের পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এজন্য তহবিল একটি বড় সমস্যা। পর্যাপ্ত তহবিল না থাকায় ট্যুরিজম মার্কেটিং করতে পারছে না বাংলাদেশ। এ খাতের সঙ্গে যুক্ত বেসরকারি উদ্যোক্তা ও বিশেষজ্ঞদের মতে, তহবিল বড় সমস্যা নয়। বরং মার্কেটিংয়ের কাজটি যথাযথভাবে করতে না পারাই বড় ব্যর্থতা।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) এর পরিচালক ও বেঙ্গল ট্যুরস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, কোনো কিছু মার্কেটিং করার আগে আমরা কি মার্কেটিং করতে চাই, আমাদের টার্গেট পিপল কারা- এসব আগে ঠিক করতে হবে। অথচ স্বাধীনতার ৪৩ বছরেও আমরা এখন পর্যন্ত ট্যুরিজম প্রডাক্ট ঠিক করতে পারিনি।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, কক্সবাজার বিশ্বের বৃহৎ সমুদ্র সৈকত। কিন্তু আপনি ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী ইতালি, স্পেনে গিয়ে যদি কক্সবাজারের প্রচারণা চালান তাহলে তা সঠিক হবে না। কারণ ওইসব দেশের মানুষ বিশ্বের অন্যতম সুন্দর ভূমধ্যসাগরের সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করে থাকেন।

দেশের ট্যুরিজম খাতের অন্যতম পথিকৃত পর্যটন ভিত্তিক পাক্ষিক বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলমের মতে, ট্যুরিজম মার্কেটিংয়ের জন্য অর্থ বড় বাধা নয়। বরং মার্কেটিং স্ট্রাটেজি তৈরি করতে না পারাই বড় দুর্বলতা।

মার্কেটিংয়ের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী ট্যুরিজম ফেয়ারেও অংশ নিতে পারছে না বাংলাদেশ। এক্ষেত্রেও তহবিল সংকট প্রধান প্রতিবন্ধকতা বলে মনে করেন জাতীয় পর্যটন সংস্থা বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। তবে এ বিষয়টি আমলে নেওয়ার মতো নয় বলে মত দেন কাজী ওয়াহিদুল আলম।

তিনি বলেন, মেলায় অংশ নেওয়া পুরো মার্কেটিংয়ের একটি পার্ট হতে পারে। কিন্তু এ ধরনের মেলায় অংশ নিতে গেলেও ওই মার্কেটিংই প্রয়োজন। কারণ আপনি মেলায় অংশ নেওয়ার আগে ওই পণ্য মার্কেটিং করার প্রয়োজন রয়েছে। কোনো ধরনের মার্কেটিং না করে এ ধরনের মেলায় অংশ নেওয়া অনর্থক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অধ্যাপক মুজিব উদ্দিন আহমেদও পর্যটনের বিকাশে যথাযথ মার্কেটিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নি:সন্দেহে মার্কেটিং প্রয়োজন। এর সঙ্গে পর্যটনের গুরুত্ব সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে। কারণ এ খাতের সঙ্গে উদ্যোক্তা, সরকারের পর্যটন মন্ত্রণালয়, ট্যুরিজম বোর্ড এবং পর্যটন করপোরেশনকে এ খাতের সম্ভাবনা বুঝতে হবে। আর এটি শুধু মুখে বুঝলে হবে না উপলদ্ধি করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

তহবিল সংকট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে অন্তরায় বলে মনে করেন না তিনি।

অধ্যাপক মুজিব উদ্দিনের মতে, বাংলাদেশের বর্তমান যে অর্থনীতি তাতে অর্থ বড় সমস্যা নয়। কোনো সরকারই এমনি এমনি কাউকে টাকা দেবে না। এজন্য এর গুরুত্ব সরকারকে যথাযথভাবে বোঝাতে হবে। ট্যুরিজম বোর্ড ও পর্যটন করপোরেশনকে তহবিলের জন্য সরকারকে মোটিভেট করার সক্ষমতা থাকতে হবে।

বাংলাদেশ সময়: ০৬২০ ঘণ্টা, মে ২৩, ২০১৪ - See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/292559.html#sthash.MP67ATnS.dpuf